বানীসমূহ

হক – রফিক ট্রাস্টের সাধারণ সম্পাদকের বক্তব্য
প্রিয় সুধীবৃন্দ্‌ , আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ । সকল প্রশংসা মহান আল্লাহর যিনি সমগ্র সৃষ্টির স্রষ্টা । শিক্ষা জাতির উন্নয়নের এক পরিপূণ –নিয়ামক । শিক্ষার অগ্রগতিতে জাতির উন্নয়ন অনুভূত হয় পরিস্কার ভাবে । যে জাতি নিজের সন্তানদের যতটুকু যুগোপযোগী শিক্ষা দিতে পেরেছে , সে জাতি হয়েছে ততোদিক যোগ্য ও সম্মানিত , বিশ্ব বাজারে তাদের স্থান হয়েছে সুদৃড় ওসুনিশ্চিত । যুগের চাহিদায় সময়ের প্রয়োজনে অনেক কিছুর পরিবতন এসেছে । কলাপাতার বাঁশের লেখার যুগ পেরিয়ে ইন্টারনেটে হাতের আঙ্গুলি ব্যবহার সফলতা এসেছে , ওয়েবসাইটে বিশ্ব দশন মুহূতের ব্যাপারে হয়েছে । বিজ্ঞানের নব-নব আবিস্কার মানব জীবনে অস্বাভাবিক বৈচিত্র এনেছে । “শিক্ষা” এমন এক “সুপিরিয়র পাওয়ার” যা মানুষকে চিন্তার উধ্বে যোগ্য করে । তাই প্রতিটি ধমে শিক্ষাকে সবোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে । শিক্ষার উপযুক্ত গুরুত্ব উপলদ্বি করে । সত্য , দয়া ও কল্যাণ এই তিন মূলনীতির ওপর ভিত্তি করে ১৯৯৬ সালে শুরু হয় ষোলশহর পাবলিক স্কুলের প্রত্যয়দ্বীপ্ত অভিযাত্রা। ২০১৩ সালে স্কুলটি কলেজ পযায়ে উন্নীত হয় । প্রতিষ্ঠার পর থেকেই প্রতিষ্ঠানটি এলাকার যুগোপযোগী শিক্ষা বিকাশে গুরুত্বপূণ ভূমিকা পালন করে আসছে ।

চট্টগ্রামের শহরের প্রাণকেন্দ্র, পাঁচলাইশ থানাধীন পশ্চিম ষোলশহর ৭ নং ওয়াডের বিবিরহাট এলাকায় সম্পূণ শিক্ষা –বান্ধব শান্ত ও দৃষ্টিনন্দন পরিবেশে ষোলশহর পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজের অবস্থান । সহজ যোগাযোগ ব্যবস্থা , সুন্দর পরিবেশের কারণে ইতোমধ্যে প্রতিষ্ঠানটি ব্যতিক্রমী ও আদশ শিক্ষাকেন্দ্র হিসেবে পরিচিতি পেতে শুরু করেছে ।

অবকাঠামোগত সমৃদ্ধি, দক্ষ ও প্রশিক্ষনপ্রাপ্ত আধুনিকমনস্ক শিক্ষকবৃন্দ এবং বিগত বছরগুলোতে শিক্ষাথীদের আশানুরুপ ফলাফল এ প্রতিষ্ঠানের প্রধান অহংকার এ প্রতিষ্ঠানে রয়েছে পযাপ্ত সুপরিসর শ্রেণীকক্ষ, লাইব্রেরী, ব্যবহারিক কক্ষ, কম্পিউটার ল্যাব, হলরুম ও মাঠ ।

একটা প্রতিষ্ঠান নানাজনের সহযোগিতা ও পরিশ্রমের ফসল । সকলের সহযোগিতা ও আন্তরিকতায় প্রতিষ্ঠানের উন্নতি ও লক্ষপূরণ সম্ভব । আমরা বিশ্বাস করি বতমান সময়েও আমাদের লক্ষপূরণের মাধ্যমে আমরা আমাদের সাফল্যের ধারা বজায় রাখতে পারব ইনশাআল্লাহ ।


প্রকৌশলী আলহাজ্ব মুহাম্মদ রফিক
হক – রফিক ট্রাস্টের সভাপতির শুভেচ্ছা বক্তব্য
প্রিয় অভিভাবকবৃন্দ, আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ । অত্র বিদ্যালয়ের চমৎকার সাফল্য অজনে প্রথমে মহান আল্লাহ ও রাসূল আলামিনের দরবারে শুকরিয়া এবং আপনাদের ক্রমাগত সহযোগিতার জন্য আমি আন্তরিক ধন্যবাদ ও গভীর কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি ।

শিক্ষা জাতিকে করে সমৃদ্ধ ও উন্নত , ব্যক্তিকে করে আলোকিত , আর আদশিক শিক্ষা মানববোধকে করে চির শ্বাশত । আলোকিত মানুষ সৃষ্টিতে সঠিক শিক্ষার বিকল্প নেই ।তাই সৃষ্টির শুরু থেকেই সত্যিকার শিক্ষাই হয়েছে সম্মানের মাপকাথি। জীবনের মুল্যায়ন বেড়েছে শিক্ষাকে ঘিরে । ব্যক্তিত্বের বহুমুখী প্রসার হয়েছে শিক্ষার মানদণ্ডে ।পবিত্র কুরআন পাকে যেমন শিক্ষার প্রতি গুরুত্তারোপ করা হয়েছে। তেমনি হাদীসে পাকে শিক্ষাকে মৌ্লিক বিষয় হিসাবে স্থান দেওয়া হয়েছে। আর যুগে যুগে এই শিক্ষার প্রচারনা হয়েছে নানান আঙ্গিকে । শিক্ষার সাধনায় বেরিয়ে এসেছে যুগের শ্রেষ্ঠ জ্ঞানী -গুনী শিক্ষক,বুদ্ধিজীবি,গবেষক প্রমুখ। জাতিকে দিয়েছেন সুচিন্তিত দিক নিরদেশসনা, নব-সৃষ্টির মূলম্মন্ত্র নিয়ম শৃন্খলা ও নিবিড় তত্তাবধানের কারনে ।এই প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী পড়ালেখার পাশাপাশি মানবিক গুনাবলি সম্পন্ন,ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি ও আত্নবিস্বাসী হয়ে গড়ে উঠার সুযোগ পায় ৷ নূন্যতম মেধার একজন শিক্ষার্থীকে সবোচ্চ মেধায় উন্নীত করে শিল্প সাহিত্য ও সাংস্কৃতিবোধ সম্পন্ন , বিজ্ঞান মনস্ক, উন্নত মূল্যবোধের অধিকারী ও সব ক্ষেত্রে যোগ্যতা সম্পন্ন শিক্ষার্থী তৈরী করার মাধ্যমে জাতীয় প্রগতিতে অবদান রাখার প্রত্যেয়ে এ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পরিচালনা পরিষদ দৃঢ় প্রতিজ্ঞ। সকলের আন্তরিক প্রচেষ্টায় আমাদের শিক্ষা ব্যাবস্থায় একটি যুগান্তকারী ইতিবাচক পরিবর্তন সূচিত হবে এ দৃঢ় আসাবাদ ব্যক্ত করছি । আর এই প্রচেষ্টার মাধ্যমে আমরা পেতে পারি কটি বিকশিত , যুক্িশীল ও দক্ষ আগামী প্রজম্।আমরা সেই সোনালী ভবিষ্যতের অপেক্ষায় থাকলাম।


প্রকৌশলীআলহাজ্জ মুহাম্মদ আব্দুল হক